১৩ টি উপায়ে ঘরে বসে ইনকাম

অনলাইন ইনকাম
টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই সময়ে অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সহ সারা পৃথিবীতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে । এখন আর গতানুগতিক চাকুরী না করেও যে জীবনে সাফল্য অর্জন সম্ভব তা বাস্তব প্রমানিত। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করা অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয়  একটি পন্থা।

স্টুডেন্ট অনলাইন ইনকাম খাতও এখন সুদূরপ্রসারী। অনলাইনে নানাবিধ নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে যা থেকে শিক্ষার্থীরা ছাড়াও যেকোনো বয়সের মানুষ মূল পেশা হিসেবে বা খণ্ড কালীন কাজের মাধ্যম হিসেবে উপার্জন করতে পারবে। এজন্য দরকার প্রথমেই লক্ষ্য স্থিরতা কোন বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী সে বিষয়ে এবং তারপর উক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা। দক্ষতা,পরিশ্রম ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

ড্রপ শিপিং এর মাধ্যমে আয়

ড্রপ শিপিং এর মাধ্যমে আয়

ড্রপ শিপিং ব্যবসার উদ্যোগ হতে পারে বর্তমান সময়োপযোগী একটি অভিনব টাকা উপার্জনের মাধ্যম। ড্রপ শিপিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একজন ব্যবসায়ী ক্রেতা এবং পাইকারি বিক্রেতা বা সরবরাহকারীর মধ্যে মধ্যস্থতা করে থাকে। এক্ষেত্রে উদাহরণ স্বরূপ, আপনি যদি একটি  ই-কমার্স সাইটে কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য অর্ডার করেন, উক্ত সাইটের কর্তৃপক্ষ অর্ডারটি সরবরাহকারী বা পণ্য মজুদকারীর কাছে পৌঁছে দিবে। অতঃপর সরবরাহকারী আপনার নিকট পণ্যটি পৌঁছে দিবে। এভাবে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় ড্রপ শিপিং ব্যবসা পরিচালিত হয়। একজন ড্রপ শিপার বা বিক্রেতাকে পণ্য মজুদ, রক্ষণাবেক্ষণ এর ঝামেলায় যেতে হয় না, উপরন্তু অনলাইন স্টোর পরিচালনা তুলনামূলক ভাবে সহজ যা শুধু মাত্র কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ এর মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়। এসব কারণে ড্রপ শিপিং ব্যবসা এখন অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে রয়েছে।

ড্রপ শিপিং সম্পর্কে জানতে এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে আয়

ভিডিও এডিটিং এর মাধ্যমে আয়

বিভিন্ন ভিডিও এডিটর সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভিডিও এডিটিং এর কাজ শিখে ঘরে বসেই আত্মনির্ভরশীল হওয়া সম্ভব। এখন সোশ্যাল মিডিয়া যেমন, ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম  থেকে শুরু করে বিভিন্ন ঘরোয়া অনুষ্ঠানের ভিডিও এডিট করতে পারার চাহিদা আকাশচুম্বী। এক্ষেত্রে টাকা উপার্জনের জন্য আপনাকে ভিডিও এডিটিং এ দক্ষ হতে হবে। বিভিন্ন ধরনের ভিডিও এডিটিং অ্যাপ্লিকেশন যেমন Kinemaster,Inshot,Promeo,Filmmaker pro,Filmora ইত্যাদি ব্যবহার করে কীভাবে যথাযথ ভাবে ভিডিও এডিট করতে হয় তা শিখতে পারলে আপনি এটিকে পেশায় পরিণত করতে পারবেন।আপনি যদি ভিডিও এডিটিং সম্পর্কে জানতে চান তবে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর মাধ্যমে আয়

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর মাধ্যমে আয়

মার্কেটিং সেকটরে কাজ করার একটি উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র হল গ্রাফিক্স ডিজাইন। গ্রাফিক্স ডিজাইনে স্নাতক করা ছাড়াও নিজস্ব আগ্রহ থেকে বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদী কোর্স করেও গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা সম্ভব। আপনি চাইলে ঘরে বসে নিজে নিজে কাজ করা শেখা শুরু করতে পারেন। এজন্য আপনাকে প্রথমে Adobe Illustrator, Adobe Photoshop, Logo maker এর মতো প্রয়োজনীয় কিছু সফটওয়্যার এর কাজে দক্ষ হতে হবে। আপনার কাজের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অনলাইন টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট এবং অফলাইন কোম্পানিতে web designer, logo designer, brand identity designer হিসেবে কাজ করতে পারবেন। কোম্পানির প্রডাক্ট এর ডিজাইন করার মাধ্যমে এই খাতে মাসে ৩০ হাজার থেকে লক্ষ টাকা উপার্জন করা সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ

গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স কোথায় শিখব আর কিভাবে শিখবো?

কপি রাইটিং,স্ক্রিপ্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আয়

কপি রাইটিং,স্ক্রিপ্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আয়

আপনি বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করে কপি রাইটার বা স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন এবং টাকা আয় করতে পারেন। যেমন, fiverr.com, freelancer.com,guru.com এর মতো জনপ্রিয় সাইটের জন্য আপনি কপি রাইটিং এর কাজ করতে পারেন। কপি রাইটিং হতে পারে  কোন কোম্পানির প্রডাক্ট, মডেল,রিভিউ বিষয়ক ছোট আকারের যেকোনো কনটেন্ট। কপি রাইটিং বা স্ক্রিপ্ট রাইটিং আপনি ঘরে বসে ইউটিউব ব্যবহার করেই সময় নিয়ে শিখে ফেলতে পারেন যদি আপনার লেখালেখির প্রতি ঝোঁক থেকে থাকে। অনলাইনের ফ্রিল্যান্সিং সাইট ছাড়াও বিভিন্ন আইটি প্রতিষ্ঠান এ এই দক্ষতা কজে লাগিয়ে টাকা আয় করতে পারেন।

অন্যের ব্লগ সাইটে লেখা-লেখি করে

অন্যের ব্লগ সাইটে লেখা-লেখি করে

কনটেন্ট রাইটিং পেশাটি হতে পারে আপনার লেখালেখির প্রতিভা তুলে ধরার জন্য একটি উপযুক্ত মাধ্যম। যদি আপনি লেখালেখির প্রতি ভালোবাসা পোষণ করেন তাহলে নিজেকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে পারেন পছন্দের কাজের মাধ্যমে টাকা উপার্জনের প্রচেষ্টায়। এক্ষেত্রে আপনার লেখালেখির মান এবং ধরনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের ব্লগ,সাইটে আর্টিকেল লিখতে পারেন। এটি বর্তমান সময়ের নতুন প্রজন্মের মাঝে অন্যতম একটি জনপ্রিয় পেশা।

প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিভঙ্গি

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা ইনকাম

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ গ্রাহক বা সম্ভাব্য ক্রেতাকে কোনো পণ্য বা দ্রব্য কিনতে আগ্রহী করার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে আপনি যে কোম্পানির হয়ে প্রচারণা চালাবেন বা তাদের পণ্যের ক্রেতা বাড়াতে সাহায্য করবেন সেই কোম্পানির পক্ষ থেকে কমিশন পাবেন। এভাবেই এফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করে থাকে। আপনি একজন এফিলিয়েট হিসেবে কাজ করতে পারেন বিভিন্ন অনলাইন ইনকাম সাইট ও সোশাল সাইটে পোস্ট, ভিডিও, ব্লগ ও কনটেন্ট এর মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণা চালিয়ে। যেমনঃ আপনি একটি ই-কমার্স সাইটে এফিলিয়েট মার্কেটিং সেকশনে অ্যাকাউন্ট খুলে পণ্যের বিবরণ এর লিংক বিভিন্ন গ্রুপে ও পরিচিত মানুষের মাঝে পাঠাবেন। যখন এই লিংক থেকে কেউ পণ্যটি ক্রয় করবে তখন আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। এটিই হতে পারে আপনার অন্যতম একটি আয়ের উৎস।

এফিলিয়েট-মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

ইউটিউব চ্যানেল এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার উপায়

ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা ইনকাম 

ইউটিউব চ্যানেল এর মাধ্যমে আয় করার ক্ষেত্র বর্তমানে সুদূরপ্রসারী। আপনি নিজের যেকোনো প্রতিভা তুলে ধরে ইউটিউব কনটেন্ট তৈরি করে আয় করতে পারেন। এই মাধ্যম বর্তমানে বহুল জনপ্রিয়। যেকোনো বয়সের মানুষ যেকোনো ধারার কনটেন্ট প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইউটিউবে টাকা উপার্জন করতে পারে। আপনি নিজের অ্যাকাউন্টে বা চ্যানেলে মানসম্মত ভিডিও আপলোড করেই স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যেতে পারেন। ৪০০০ ঘণ্টা ওয়াচ টাইম এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইব এর মাধ্যমে গুগল অ্যাডসেন্স অথবা স্পন্সরশিপ থেকে ইউটিউবে আয় করা শুরু করা সম্ভব।

ফেসবুকের মাধ্যমে

ফেসবুকের মাধ্যমে

পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব ফেসবুক পেইজ খুলে কনটেন্ট পোস্ট করে। পেইজের ফলোয়ার ৩০ হাজারের বেশি হলে ভিডিও মনিটাইজ করে টাকা আয় করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির পণ্যের প্রচারণা চালিয়ে টাকা আয় করা যায় । এগুলোর পাশাপাশি ফাইভার, ওয়ার্কয়াপ এর মতো মার্কেট প্লেসে ফেসবুক মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবেও কাজের সুযোগ রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি টাকা উপার্জনের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি চমৎকার কার্যোপযোগী মাধ্যম।

 গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ

মোবাইল অ্যাপ এর সাহায্যে ইনকাম

মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম এখনকার তথ্য প্রযুক্তির যুগের একটি বড় আশীর্বাদ। প্রত্যেকেই নিজস্ব দক্ষতা, আগ্রহ অনুযায়ী নানাবিধ ক্ষেত্রে কাজ করে টাকা উপার্জন শুরু করতে পারে। বিকাশ,নগদের মতো অ্যাপ ব্যবহারকারীরা রেফার করার মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি এসব পরিষেবার একজন পুরনো গ্রাহক হয়ে থাকলে নতুন ব্যক্তিকে রেফার করে এসব অ্যাপের সাথে যুক্ত করবেন। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন মাইক্রো জব ওয়েব সাইট যেখানে বিভিন্ন survey তে অংশ নিয়ে, অ্যাপ ইনস্টল করে, গেম খেলে আয় করার অসংখ্য সুযোগ রয়েছে।

অ্যাপ তৈরি করে

অ্যাপ তৈরি করে

অ্যাপ তৈরি করে টাকা ইনকাম করার ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে জনপ্রিয় কিছু Android Application Builder website এর নাম হল- appypie.com, gamesalad.com, thunkable.com ইত্যাদি। এরকম কোনো ফ্রি সাইট ব্যবহার করে অ্যাপ তৈরি করতে পারেন অথবা professional app developer এর সাহায্যে অ্যাপ তৈরি করে তা পাবলিশ করতে হবে। তবে এজন্য প্রথমে আপনাকে Google Play Console এ ১৫০০ টাকা দিয়ে publisher account তৈরি করতে হবে। তারপর আপনি Google Play store এ অ্যাপটি পাবলিশ করতে পারবেন। এরপর আপনার উক্ত অ্যাপে in app purchase এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন, যেখানে ব্যবহারকারীকে premium / upgraded features টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে। আরেকটি উপায় হল, অ্যাপে সাবস্ক্রিপশন কিনতে বলার মাধ্যমে টাকা আয়। প্রাথমিক ভাবে আপনার অ্যাপের কিছু কনটেন্ট ফ্রি রাখতে পারেন তারপর সম্পূর্ণ কনটেন্ট ব্যবহার করার জন্য সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন। এভাবে অ্যাপ তৈরি করে টাকা ইনকাম করা যায়।

অ্যাড দেখিয়ে

অ্যাড দেখিয়ে

বিভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় হতে পারে অনলাইনে উপার্জনের অন্যতম একটি মাধ্যম। Google Admob, Facebook audience network,AppLovin,Vungle,AdColony,Appnext  ব্যবহার করে আপনার অ্যাপে অ্যাড যোগ করতে পারেন। যখন আপনার অ্যাপ ব্যবহারকারী বিজ্ঞাপনটি দেখবে বা তাতে ক্লিক করবে তখন আপনি এটি থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

ডিজিটাল প্রোডাক্ট থেকে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

ডিজিটাল প্রোডাক্ট থেকে অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২৪

ডিজিটাল প্রডাক্ট হতে পারে কোনো ওয়েব সাইটের টেমপ্লেট, ফন্ট, লোগো,ডিজিটাল সাবস্ক্রিপশন, গান mp3, pdf,Photoshop  filter plug-in  অনলাইন সার্ভিস ইত্যাদি। পণ্য বিক্রি শুরুর আগে বর্তমান সময়ের ট্রেন্ড দেখে keyword research করে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কী ধরনের পণ্য নিয়ে আপনি কাজ করতে চাচ্ছেন এবং কি ধরনের পণ্য সময় উপযোগী হবে। শিক্ষা মূলক প্রডাক্ট যেমন, অনলাইন কোর্স, ভিডিও টিউটোরিয়াল, ওয়েবিনার হতে পারে প্রাথমিক কিছু উপাদান। এগুলোই হতে পারে বেশ লাভজনক ডিজিটাল পণ্য যা বিক্রি করে বেশ টাকা আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে ই কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে। সেজন্য মাসিক ফি এর বিনিময়ে Shopify থেকে চার হাজারের উপর অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার প্রয়োজন মত ই-কমার্স স্টোর তৈরি করে নিতে পারেন ।অতঃপর Digital Downloads, SendOwl, Courses, Single Music, Thinkific, FetchApp, Sky Pilot এর মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মে আপনার ডিজিটাল পণ্য বিক্রি শুরু করতে পারেন।

অনলাইনে পড়িয়ে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

অনলাইনে পড়িয়ে টাকা ইনকাম করার  উপায় 

10 মিনিট স্কুল এর সাথে আমরা প্রায় সবাই পরিচিত। এটি মূলত একটি জনপ্রিয় অনলাইন শিক্ষা কেন্দ্র।যার মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় আড়াই লক্ষ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে। এরকম একটি মাধ্যম হতে পারে বাংলাদেশে আপনার টাকা আয় করার চমৎকার সুযোগ। আপনি আপনার দক্ষতা ও নিজের পড়াশোনার পর্যায়ের উপর ভিত্তি করে অনলাইনে শিক্ষা প্রদান শুরু করতে পারেন। পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক পড়া ছাড়াও সঙ্গীত, চারুকলা, আরবি শিক্ষা বিষয়ক অনলাইন ক্লাস নেয়ার  মাধ্যমেও আপনি এই কজ শুরু করতে পারেন। বিভিন্ন অনলাইন পেজ যেমন tutor.com  বা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভাবেও শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পড়িয়ে নিজের পড়াশোনার খরচ যোগাতে পারেন।

সুতরাং,উপরোক্ত সকল উপায়গুলো  থেকে আপানার পছন্দ অনুযায়ী দক্ষতা নির্বাচন করুন। ধীরে ধীরে নিজের গন্তব্যে পৌছানোর জন্য এখন থেকেই কঠোর পরিশ্রম করুন। লক্ষ্য ঠিক থাকলে আপনিই হয়ে উঠবেন কোটিপতিদের একজন।অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২৪ আর্টিকেল টি পড়ে কেমন লাগল জানাবেন।

Leave a Comment